জন্ম
সেদিন শ্বাসরোধের শরীরে জন্ম নিল আত্মার আগুন
বাতাসে উড়ল জীবন।
তুমুল বৃষ্টি। গাছেরা শুয়ে আছে এলিয়ে।
মৃত্যুর গায়ে লেখা আছে শিশুর পাঠশালা।
বেঁচে আছি। এই শরীর।
ধুলো মেখে নিচ্ছি আবার যুবতীর মাঠে
ওই দ্যাখো! কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে সূর্যের দিকে।
ঠিকানা ভুলিনি কখনো। এই বাড়ি।
এই পাহাড়
এই শ্মশানে শকুন উড়ে যায়
অচ্ছুত যারা আছে
তারা কুড়িয়ে খাচ্ছে জীবন
হাতের তলায় নির্জন একার পাহাড়
চারটি মানুষ এই ভোরে
দাঁড়িয়ে আছে ফুল হাতে
ধোঁয়ার প্রলেপ ছুঁয়ে নক্ষত্রের রাতে
শুয়ে আছি মৌরাক্ষীর জলে
কিছু কুয়াশা বেঁচে আছে শকুনের গায়ে
আদমের বাগানে ফিরে যাচ্ছি
ফিরে যাচ্ছি কবরের মাটি ঘেঁষে
কুড়িয়ে খাচ্ছি রোদ্দুর, নির্জন
এই পাহাড়, এই একার করিডোর
মরচে রঙের জীবন ৮
ভাবছি এভাবে নেভাবো না
কত বিষাক্ত শব্দ, শব্দের হাজারো অগ্নিরশ্মি
সারাদিন অনবরত গলির মুখে বিকট চিৎকার
কিছু উল্লাস, ছায়ার মতো ঘরে ঢুকে
ছিনিয়ে নিচ্ছে জল, জলের দেবতা
তবুও ভাবছি, এভাবে নেভাবো না
0 Comments